পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চালকহীন আধুনিক মার্কিন সামরিক সাবমেরিন (ড্রোন সাবমেরিন) জব্দ করার দাবি করেছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীর প্রবেশমুখ থেকে এই উচ্চপ্রযুক্তির যানটি তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
তবে ওয়াশিংটন ইরানের এই দাবি অস্বীকার না করলেও বিষয়টিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছে। পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাবমেরিনটি কোনো সংবেদনশীল তথ্য বা গোপনীয় ডেটা সংগ্রহ করছিল না এবং একদিন আগেই এটি যান্ত্রিক ত্রুটির শিকার হয়ে পথ হারিয়েছিল।
কী এই ড্রোন সাবমেরিন?
ইরানি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা ড্রোন সাবমেরিনটির নাম ‘ডাইভ-এলডি’ (Dive-LD)। এটি ক্যালিফোর্নিয়া-ভিত্তিক মার্কিন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান 'অ্যান্ডুরিল ইন্ডাস্ট্রিজ'-এর তৈরি একটি স্বয়ংক্রিয় যুদ্ধযান।
দৈর্ঘ্য ও ক্ষমতা: প্রায় ৬ মিটার (২০ ফুট) দীর্ঘ এই সাবমেরিনটি পানির প্রায় ১৯,৭০০ ফুট (৬,০০০ মিটার) গভীরে ১০ দিন পর্যন্ত একটানা নজরদারি চালাতে সক্ষম।
মূল কাজ: সমুদ্রতলের ম্যাপ তৈরি, মাইন শনাক্তকরণ এবং গোয়েন্দা নজরদারি চালানো।
আনুমানিক মূল্য: প্রায় ২৫ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৩০ কোটি টাকা)।
অ্যান্ডুরিল ইন্ডাস্ট্রিজের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে ব্যবহার করা যায়, যেখানে যানটি নিখোঁজ বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আইআরজিসির দাবি ও মার্কিন প্রতিক্রিয়া:
আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে বিষয়টিকে একটি "জটিল গোয়েন্দা ও সামরিক অভিযান" হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, "মার্কিন সন্ত্রাসী বাহিনীর একটি অত্যন্ত আধুনিক ও বুদ্ধিমান সাবমেরিনকে হরমুজ প্রণালীতে ফাঁদে ফেলা হয়েছে।"
অন্যদিকে, পেন্টাগনের মুখপাত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন যে তারা একটি ড্রোন সাবমেরিনের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন। তবে এটি একটি পুরনো মডেলের সাধারণ জরিপ যান ছিল এবং এতে কোনো গোপনীয় সোনার বা রাডার প্রযুক্তি ছিল না বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
চলতি বছরের শুরু থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র পাঁচটি ইরানি জ্বালানি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করার পরই ইরান মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও এই সাবমেরিন জব্দের দাবি করলো। বর্তমানে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ হরমুজ প্রণালীতে নৌ-অবরোধ ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
তবে ওয়াশিংটন ইরানের এই দাবি অস্বীকার না করলেও বিষয়টিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছে। পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাবমেরিনটি কোনো সংবেদনশীল তথ্য বা গোপনীয় ডেটা সংগ্রহ করছিল না এবং একদিন আগেই এটি যান্ত্রিক ত্রুটির শিকার হয়ে পথ হারিয়েছিল।
কী এই ড্রোন সাবমেরিন?
ইরানি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা ড্রোন সাবমেরিনটির নাম ‘ডাইভ-এলডি’ (Dive-LD)। এটি ক্যালিফোর্নিয়া-ভিত্তিক মার্কিন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান 'অ্যান্ডুরিল ইন্ডাস্ট্রিজ'-এর তৈরি একটি স্বয়ংক্রিয় যুদ্ধযান।
দৈর্ঘ্য ও ক্ষমতা: প্রায় ৬ মিটার (২০ ফুট) দীর্ঘ এই সাবমেরিনটি পানির প্রায় ১৯,৭০০ ফুট (৬,০০০ মিটার) গভীরে ১০ দিন পর্যন্ত একটানা নজরদারি চালাতে সক্ষম।
মূল কাজ: সমুদ্রতলের ম্যাপ তৈরি, মাইন শনাক্তকরণ এবং গোয়েন্দা নজরদারি চালানো।
আনুমানিক মূল্য: প্রায় ২৫ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৩০ কোটি টাকা)।
অ্যান্ডুরিল ইন্ডাস্ট্রিজের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে ব্যবহার করা যায়, যেখানে যানটি নিখোঁজ বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আইআরজিসির দাবি ও মার্কিন প্রতিক্রিয়া:
আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে বিষয়টিকে একটি "জটিল গোয়েন্দা ও সামরিক অভিযান" হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, "মার্কিন সন্ত্রাসী বাহিনীর একটি অত্যন্ত আধুনিক ও বুদ্ধিমান সাবমেরিনকে হরমুজ প্রণালীতে ফাঁদে ফেলা হয়েছে।"
অন্যদিকে, পেন্টাগনের মুখপাত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন যে তারা একটি ড্রোন সাবমেরিনের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন। তবে এটি একটি পুরনো মডেলের সাধারণ জরিপ যান ছিল এবং এতে কোনো গোপনীয় সোনার বা রাডার প্রযুক্তি ছিল না বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
চলতি বছরের শুরু থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র পাঁচটি ইরানি জ্বালানি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করার পরই ইরান মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও এই সাবমেরিন জব্দের দাবি করলো। বর্তমানে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ হরমুজ প্রণালীতে নৌ-অবরোধ ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক